শুক্রবার, 14 ডিসেম্বর 2018

বিচারক মোঃ আতিকুস সামাদ এর ‘পিএইচডি’ ডিগ্রী অর্জন

Written by  বৃহস্পতিবার, 06 ডিসেম্বর 2018 00:46
ফিডব্যাক দিন
(0 votes)

খুলনা প্রতিনিধি ॥ খুলনা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ আতিকুস সামাদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিস (আইবিএস) হতে "ঈরারষ ঔঁংঃরপব ঝুংঃবস রহ ইধহমষধফবংয: ঝঃধঃঁং, ওসঢ়বফরসবহঃং ধহফ অপপবষবৎধঃরহম ঝঃৎধঃবমরবং" শিরোনামে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেছেন। গত ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ খ্রিঃ তারিখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ২৪৮ তম সভায় উক্ত গবেষণা কার্যটি অনুমোদিত হয়। তাঁর এ গবেষণা কার্যটি বিচার বিভাগে দেওয়ানী মামলার জট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। বর্তমানে বাংলাদেশে দেওয়ানী মামলার সংখ্যা প্রায় ১৮ (আঠারো) লক্ষ। এক একটি মামলা শেষ হতে প্রায় ১০-১৫ বছর সময় লাগে। তিনি তাঁর গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের দেওয়ানী বিচার ব্যবস্থার সমস্যা সমূহ তুলে ধরেছেন এবং সে সকল সমস্যা সমূহ নিরসনে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা, জাপান ও জার্মানির দেওয়ানী বিচার ব্যবস্থার পদ্ধতি তুলে ধরে বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য একটি আধুনিক বিচার ব্যবস্থার রূপরেখা বর্ণনা করেছেন। তাঁর এ গবেষণাটি করতে সময় লেগেছে প্রায় ০৬ (ছয়) বছর। এই দীর্ঘসময়ে তিনি তাঁর বিচারিক অভিজ্ঞতার সাথে সাথে সারা দেশের বিভিন্ন আদালতের ১৬৫ জন বিচারক, ১৬৫ জন আইনজীবী ও ১৬৫ জন বিচারপ্রার্থী জণগনের কাছ থেকে প্রশ্নমালার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতিসহ আরো ০৩ জন বিচারপতি, আইন কমিশনের সদস্য, আইন মন্ত্রণালয়ের সদস্য, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা, ০৮ জন জেলা ও দায়রা জজ এবং ০৮ টি জেলা বারের সভাপতি সহ সুপ্রীম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সাক্ষাতকার গ্রহণ করেছেন।         তাঁর এই গুরুত্বপূর্ন গবেষণা কার্যের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং যুক্তরাজ্যের ঝঙঅঝ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ। ড. মোঃ আতিকুস সামাদ ১৯৮৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর তারিখে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাছখোলা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর পিতা আলহাজ্ব মোঃ আতাউর রহমান বাংলাদেশ আনসারের জেলা কমানডেন্ট হিসেবে অতিসম্প্রতি অবসর গ্রহণ করেছেন। তিনি যশোর বোর্ড হতে মানবিক বিভাগে ২০০২ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৫ম ও ২০০৪ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬ষ্ঠ স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ হতে এলএল.বি (সম্মান) ও এলএল.এম ডিগ্রী অর্জন করেন। উক্ত সময়ে তিনি আইন বিভাগে রেকর্ড পরিমান নম্বর অর্জন করে উক্ত বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে ২য় স্থান অধিকার করেন। তিনি ২০১০ সালে এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১২ সালের ১লা আগস্ট বাংলাদেশ বিচার বিভাগে সহকারী জজ হিসেবে রাজশাহী জেলা জজ আদালতে যোগদান করেন। চাকুরী জীবনে তিনি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার এবং সর্বশেষ সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের একান্ত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি খুলনা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত আছেন। তাঁর লেখা দুইটি গ্রন্থ  'ঈড়সসবৎপরধষ খধংি ড়ভ ইধহমষধফবংয' এবং 'অউজ ধহফ খবমধষ অরফ' ইতোমধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তাঁর লেখা বিভিন্ন গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ ওইঝ ঔড়ঁৎহধষ, ঝঃধসভড়ৎফ খধি ঔড়ঁৎহধষ, অংরধ চধপরভরপ খধি ঔড়ঁৎহধষ, ইচউগ জবংবধৎপয ঔড়ঁৎহধষ, ছঁধঃরসধঃব খধি ঔড়ঁৎহধষ সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন জার্নালে স্থান পেয়েছে। তাঁর লক্ষ্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগে এমন একটি কার্য পদ্ধতি আবিষ্কার করা যার মাধ্যমে চলমান মামলা জট নিরসন হবে। তিনি তাঁর এই গুরুত্বপূর্ন অর্জনে তত্ত্বাবধায়ক, আইবিএস এর শিক্ষক, গবেষক, বিচারক সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক সন্তানের জনক এবং তাঁর স্ত্রী ৩৪তম বিসিএস (নন ক্যাডার) এর একজন সদস্য। তিনি সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী।                             

০৬-১২-২০১৮

06-12-2018

 

পড়া হয়েছে 1 বার

আপনার মতামত জানান...

আপনার মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ

প্রধান সম্পাদক : আতিয়ার পারভেজ || সম্পাদক ও প্রকাশক : মনোয়ারা জাহান || ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: শাহীন ইসলাম সাঈদ।
বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ২৫, স্যার ইকবাল রোড, পিকচার প্যালেস মোড়, গোল্ডেন কিং ভবন, খুলনা।
সম্পাদক কর্তৃক দেশ বাংলা প্রিন্টার্স, ৫৮, সিমেট্রি রোড, খুলনা হতে মুদ্রিত ও ১০০, খানজাহান আলী রোড থেকে প্রকাশিত।
যোগাযোগঃ সম্পাদক : ০১৭৫৫-২২৪৪০০, বার্তা কক্ষ : ০১৭৮৭-০৫৫৫৫৫, বিজ্ঞাপন : ০১৭৫৫-১১১৮৮৮
ইমেইল : newsamarekush@gmail.com || ওয়েব: amarekush.com